![]() |
| ছবিঃ সংগৃহীত। |
মাটি ভরাট, গাইডওয়াল নির্মান রাস্তায় ঘাস লাগানোসহ ৯ দশমিক ৮০০ মিটার সড়কের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৫ কোটি ৪৬ লক্ষ ১৪ হাজার ৯৬৯ টাকা। প্রতি কিলোমিটারের ব্যয় যেখানে দাঁড়ায় ১ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা প্রায়। তবে প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ শেষ হলেও পুরোপরি কাজ সমাপ্ত হয়নি এখনো। এর মধ্যে সড়কের কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তবে ঠিকাদারদের কে বিল দিতে কোন জটিলতা করে নাই উপজেলা প্রকৌশলি। কাজের প্রায় ৫৫% বিল পে করেছেন প্রকৌশলি যদিও বা নানা অনিয়মের অভিযোগ ছিলো কাজটি ঘিরে।
আরএবি-আরসি-বিসি-এইচটি জেভি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, পুরাতন গাইডওয়াল তুলে নতুন গাইডওয়াল স্থাপন না করা, মাটি ভরাট না করা, দায়সারাসহ প্রশস্ত রাস্তা না বাড়ানোর মতো একধিক অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গুলোর বিরুদ্ধে।
সড়ক নির্মাণে ধীরগতি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গুলোর উদাসীনতা এই সব কিছুর জন্য এলাকাবাসী দায়ী করছেন এলজিইডি কর্মকর্তাদের কে। এলাকাবাসীর দাবি এলজিইডি যদি সঠিক ভাবে কাজটির তদারকি করতো তাহলে কাজটি ঘিরে এতো অনিয়মের অভিযোগ উঠতো না এবং কাজটি সঠিক ভাবে সমাপ্ত হতো। স্থানীয়রা আরও বলেন, কাজ চলাকালীন গাইডওয়াল তুলে নিয়ে গেলেও পরে আর স্থাপন করা হয়নি গাইডওয়াল এবং ডাব্লিউএমএম সড়কে ব্যবহার করছে নিম্নমানের ইট খোয়া। এবং সড়কের রেজিংয়েও ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের ইট।
এলজিইডি থেকে জানা যায় প্রকল্পটির কাজ শুরু হয় ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি এবং মেয়াদ উত্তির্ন হবে চলতি বছরের জুনের ৩০ তারিখ। প্রকল্পটিতে ছিলো ১১ হাজার ৬১৫ মিটার বক্সকাটিং ও ১ হাজার ৬০৭ মিটার গাইডওয়াল। যেখানে গাইডওয়ালের প্রথম ধাপের পুরুত্ব ১৫ ইঞ্চি উচ্চতা ২০ ইঞ্চি এবং দ্বিতীয় ধাপে পরুত্ব ১০ ইঞ্চি ও উচ্চতা ২০ ইঞ্চি। পুরো সড়কটি নির্মাণ হাওয়া কথা ছিলো ডাব্লিউএমএম অনুসারে কিন্তূ এলাকাবাসী অভিযোগ কাজটি যে অনুসারে হাওয়া কথা তা সঠিকভাবে মূল্যায়ন হয়নি। এতে এলাকাবাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন জন ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য করে অভিযোগ তুলেছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বলেছে, আরএবি-আরসি-বিসি-এইচটি যৌথ উদ্যেগেকার কাজটি হামিদ ট্রেডার্স (এইসটি) এর স্বত্বাধিকারী হামিদ বলেন, আমরা কাজটি ভালো মতো করছি। আমাদের কাজে কোন গাফলতি ছিলো না।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় প্রকৌশলীর কাছে, কাজটি কত শতাংশ হয়েছে? কাজটি মান কেমন হয়েছে? এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় প্রকৌশলী ফিরোজুর রহমান বলেন, আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কাজটি ৬০ শতাংশ পুরোপুরি বুঝে নিয়েছি এবং ৫৫ শতাংশ বিল প্রদান করেছি।
সার্বিক বিষয় জানতে চাইলে কুড়িগ্রাম জেলার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ইউনুস হোসেন বিশ্বাস বলেন, সাধারণত আমরা আগে ঠিকাদারদের গাইউওয়াল কাজ করার পরামর্শ দেই যাতে করে রাস্তার কাজটি ভালো হয়। এবং আমি নিজেও সাইটিতে গিয়েছি এবং তদারকি করার জন্য আমি নিজে একজন লোক নিযুক্ত করেছি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেখানে যেখানে গাইডওয়াল ধরা আছে সেখানে সেখানে গাইডওয়াল নির্মাণ করতে হবে। কাজ না করে বিল নেওয়া কোন সুযোগ নেই। মানহীন খোয়া সেড নির্মাণ সুপেয় পানি পানের ব্যবস্থা করা হয়নি এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, আমি এখানে নতুন নিযুক্ত হয়েছি। বিষয় গুলো আমাকে আরও ঘতিয়ে দেখতে হবে।
